August 9, 2026, 10:43 am
জিয়াউল হক জিয়া,চকরিয়াঃ
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত চিংড়ি ও মৎস ক্রয় কেন্দ্র”কোষ্টাল সী-ফুডস”নামের প্রতিষ্ঠানটি বিগত ৫ বছর যাবৎ ব্যবসা বন্ধ করে উধাও।তবে প্রতিষ্ঠান পাহারায় নিয়োজিত আবুল বশর নামের একজন কর্মচারী।
সরেজমিন গেলে পাহারায় নিয়োজিত কর্মচারী আবুল বশর জানান,সরকার থেকে অনুমোদন নিয়ে কোষ্টাল নামের এক কোম্পানি “সী-ফুডস” খুলেছিল।এই সী-ফুডে স্হানীয় চিংড়ি ঘেরে উৎপাদিত গলদা ও বাগদা চিংড়ি ক্রয় করতেন।পরে তা গ্রেড অনুপাতে ভাগ করে দেশ-বিদেশ রপ্তানি করতেন।কোম্পানিটি ব্যবসা শুরুতে আমাকে নৈশী প্রহরী হিসেবে নিয়োগ দেন।দীর্ঘ কয়েক বছর সুন্দরভাবে ব্যবসা চালিয়ে যায়।হঠাৎ প্রতিষ্ঠানটির আয়-ব্যয় ক্রুটির জন্য সাময়িক ব্যবসা বন্ধ রাখেন।ব্যবসা বন্ধ থাকলেও আমি নিয়মিত পাহারার দায়িত্বপালন করে যাচ্ছি।এছাড়া মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতেন।তখন আমার সাথে কোম্পানির দায়িত্বরত চট্রগ্রাম অফিসের লোকের সাথে যোগাযোগ ছিল।এমতাবস্থায় ২০১৭ সালের শুরু থেকে কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারছিনা।তবু আমি কয়েক মাসের বিদ্যুৎ পরিশোধ করেছি।পরে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় লাইন কেটে দেন।কিন্তু দীর্ঘ পাঁচটি বছর আমি দায়িত্ব পালন করে গেলেও, বেতন পায়নি।
তিনি আরো জানান,কোষ্টাল কোম্পানিটির সাথে হয়তো সরকারের দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি রয়েছেন।না হয় সরকার এই প্রতিষ্ঠান থেকে কোন রাজস্ব না পেলে ব্যবস্হা নিতেন।আমিও এই কথা চিন্তা করে,বেতন না পেলেও ভবনটি পাহারা দিয়ে যাচ্ছি।যেকোন একদিন কোম্পানি এসে হয়তো কার্যক্রম চালাবে।যদি কার্যক্রম শুরু করে,তখন আমি বকেয়া বেতন পাব।এছাড়া পরিতপ্ত ভবনটি যদি সরকার নিয়ে পেলে।তখন আমিও দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকব।
চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস অফিসার ফারহান তানজিম বলেন,চকরিয়াতে যে কয়কটি সী-ফুড রয়েছে।এসবের অনুমোদন দিয়ে থাকে জেলা মৎস কর্মকর্তা।আমরা মনিটরিং দায়িত্বে থাকি।তবে কেন সী-ফুডসটি বন্ধ রয়েছেন।এই সী-ফুডের কার্যক্রম সম্পকে বিস্তারিত কিছুই জানিনা।কারণ এই উপজলাতে যোগদান করেছি কয়েক হচ্ছে।সুতরাং এ সম্পর্কে আমি জেনে ব্যবস্হা নিব।